Downloads · 30 days
24
32% of all-time downloads
Srimon12/bangla-embed-e5-small-mnrl
bangla-embed-e5-small-mnrl is a sentence similarity model from Srimon12. Use it when you need a score for how close two texts are. It is set up for sentence-transformers. The card lists the license as mit.
This is a sentence-transformers model finetuned from intfloat/multilingual-e5-small on the miraclbn, nlibn and parsebn datasets. It maps inputs to a 384-dimensional dense vector space and can be used for semantic text…
Downloads · 30 days
24
32% of all-time downloads
All-time downloads
74
Public
Parameters
118M
488 MB on disk
Likes
0
Public
Click a slice to open those files.
.safetensors471 MB · 96%
From the Hugging Face model README
This is a sentence-transformers model finetuned from intfloat/multilingual-e5-small on the miracl_bn, nli_bn and parse_bn datasets. It maps inputs to a 384-dimensional dense vector space and can be used for semantic textual similarity, semantic search, paraphrase mining, classification, clustering, and more.
SentenceTransformer(
(0): Transformer({'transformer_task': 'feature-extraction', 'modality_config': {'text': {'method': 'forward', 'method_output_name': 'last_hidden_state'}}, 'module_output_name': 'token_embeddings', 'architecture': 'BertModel'})
(1): Pooling({'embedding_dimension': 384, 'pooling_mode': 'mean', 'include_prompt': True})
(2): Normalize({'module_input_name': 'sentence_embedding', 'module_output_name': 'sentence_embedding'})
)
First install the Sentence Transformers library:
pip install -U sentence-transformers
Then you can load this model and run inference.
from sentence_transformers import SentenceTransformer
# Download from the 🤗 Hub
model = SentenceTransformer("Srimon12/bangla-embed-e5-small-mnrl")
# Run inference
queries = [
'বর্তমানে মানালি শহরের মোট জনসংখ্যা কত ?',
]
documents = [
"মানালি, হিমাচল প্রদেশ\nভারতের লোক গণনার হিসেবে মানালির জনসংখ্যা ছিল 6,265.তার শতকরা 64 জন পুরুষ আর শতকরা 36 জন মহিলা.মানালির গড় সাক্ষরতার হার শতকরা 74, জাতীয় গড় 59.5 এর বেশি. পুরুষ সাক্ষরতা শতকরা 80 আর মহিলা সাক্ষরতা শতকরা 63. মানালির জনসংখ্যার শতকরা 9 ভাগ ছ'বছরের নিচে.",
'মান্মাদ\nভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে মান্মাদ শহরের জনসংখ্যা হল ৭২,৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫১%, এবং নারী ৪৯%।',
'মানালি, হিমাচল প্রদেশ\nমানালি পরিচিত তার উজ্জ্বল গুম্ফা আর বৌদ্ধ মঠগুলোর জন্য. গোটা কুলু উপত্যকার মধ্যে এখানেই তিব্বতী উদ্বাস্তুদের উপর সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়. 1969 সালে স্থাপিত এখানের বিখ্যাত গাধন থেকছোক্লিং গুম্ফা. এই মঠের রক্সবেক্ষণ স্থানীয় সম্প্রদায়ের আর্থিক সাহায্যে এবং মঠের কর্মশালায় প্রস্তুত হাতে বোনা কার্পেট বিক্রী থেকে অর্জিত আয় মারফত.আকারে একটু ছোট আরও আধুনিক হিমালয়ান নিইংগাম্পা গুম্ফা, বাজার সন্নিকট এক সূর্যমুখী ফুলের বাগানে.',
]
query_embeddings = model.encode_query(queries)
document_embeddings = model.encode_document(documents)
print(query_embeddings.shape, document_embeddings.shape)
# [1, 384] [3, 384]
# Get the similarity scores for the embeddings
similarities = model.similarity(query_embeddings, document_embeddings)
print(similarities)
# tensor([[0.7126, 0.4556, 0.3308]])
<!--
### Direct Usage (Transformers)
<details><summary>Click to see the direct usage in Transformers</summary>
</details>
-->
<!--
### Downstream Usage (Sentence Transformers)
You can finetune this model on your own dataset.
<details><summary>Click to expand</summary>
</details>
-->
<!--
### Out-of-Scope Use
*List how the model may foreseeably be misused and address what users ought not to do with the model.*
-->
miracl-bn| Metric | Value |
|---|---|
| cosine_accuracy@1 | 0.91 |
| cosine_accuracy@10 | 1.0 |
| cosine_precision@10 | 0.207 |
| cosine_recall@10 | 0.9952 |
| cosine_ndcg@10 | 0.9446 |
| cosine_mrr@10 | 0.9401 |
| cosine_map@100 | 0.9176 |
| anchor | positive | negative_1 | negative_2 | negative_3 | negative_4 | negative_5 | negative_6 | negative_7 | negative_8 | negative_9 | negative_10 | negative_11 | negative_12 | negative_13 | negative_14 | negative_15 | negative_16 | negative_17 | negative_18 | negative_19 | negative_20 | negative_21 | negative_22 | negative_23 | negative_24 | negative_25 | negative_26 | negative_27 | negative_28 | negative_29 | negative_30 | |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| type | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string | string |
| modality | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text | text |
| details | <ul><li>min: 7 tokens</li><li>mean: 17.48 tokens</li><li>max: 41 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 22 tokens</li><li>mean: 218.87 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 24 tokens</li><li>mean: 208.37 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 10 tokens</li><li>mean: 219.38 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 35 tokens</li><li>mean: 219.79 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 14 tokens</li><li>mean: 187.69 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 11 tokens</li><li>mean: 185.74 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 35 tokens</li><li>mean: 213.78 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 19 tokens</li><li>mean: 210.52 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 22 tokens</li><li>mean: 212.37 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 22 tokens</li><li>mean: 182.13 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 12 tokens</li><li>mean: 214.63 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 32 tokens</li><li>mean: 201.58 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 13 tokens</li><li>mean: 200.85 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 28 tokens</li><li>mean: 222.32 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 10 tokens</li><li>mean: 190.84 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 7 tokens</li><li>mean: 231.45 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 12 tokens</li><li>mean: 189.92 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 12 tokens</li><li>mean: 209.47 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 7 tokens</li><li>mean: 196.98 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 23 tokens</li><li>mean: 191.96 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 15 tokens</li><li>mean: 183.34 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 15 tokens</li><li>mean: 193.09 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 27 tokens</li><li>mean: 206.36 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 10 tokens</li><li>mean: 200.95 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 23 tokens</li><li>mean: 209.19 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 27 tokens</li><li>mean: 205.18 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 28 tokens</li><li>mean: 210.62 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 30 tokens</li><li>mean: 196.89 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 14 tokens</li><li>mean: 195.92 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 11 tokens</li><li>mean: 204.57 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> | <ul><li>min: 9 tokens</li><li>mean: 195.17 tokens</li><li>max: 512 tokens</li></ul> |
| anchor | positive | negative_1 | negative_2 | negative_3 | negative_4 | negative_5 | negative_6 | negative_7 | negative_8 | negative_9 | negative_10 | negative_11 | negative_12 | negative_13 | negative_14 | negative_15 | negative_16 | negative_17 | negative_18 | negative_19 | negative_20 | negative_21 | negative_22 | negative_23 | negative_24 | negative_25 | negative_26 | negative_27 | negative_28 | negative_29 | negative_30 |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ কোন বংশের সন্তান ছিলেন ?</code> | <code>আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ<br>ইবনে সৌদ ১৮৭৬ সালের ১৫ জানুয়ারি মধ্য আরবের নজদ অঞ্চলের রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের শেষ শাসক আবদুর রহমান বিন ফয়সাল ছিলেন তার বাবা। আল সৌদ তথা তার পরিবার মধ্য আরবে পূর্বের ১৩০ বছর ধরে শক্তিশালী ছিল। তারা ওয়াহাবি মতাদর্শের সমর্থক ছিলেন। সৌদিরা আরব উপদ্বীপের অনেকাংশ জয় করে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র গঠন করেছিল। পরে ১৯ শতকের প্রথমদিকে উসমানীয় শাসনাধীন মিশরের হাতে তা ধ্বংস হয়ে যায়। ইবনে সৌদের মা সারাহ আল সুদাইরি ছিলেন সুদাইরি গোত্রের সদস্য</code> | <code>মোহাম্মদ আবদুল আজিজ<br>মোহাম্মদ আবদুল আজিজের জন্ম কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাটশালা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম এম আবদুল মজিদ এবং মায়ের নাম সুফিযা মজিদ। তাঁর স্ত্রীর নাম নীলুফার আজিজ। তাঁদের দুই ছেলে।</code> | <code>ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ<br>১৯৭৫ সালে বাদশাহ ফয়সাল নিহত হওয়ার পর ফাহাদকে ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ও যুবরাজ ঘোষণা করা হয়। ফাহাদের দুইজন বড় ভাই, নাসের বিন আবদুল আজিজ ও সাদ বিন আবদুল আজিজ, থাকলেও তাদের এই পদের জন্য অনুপযোগক্ত বিবেচনা করা হয়। তাছাড়া ফাহাদ ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী এবং ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছিলেন। যুবরাজ ও ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের কারণে ফাহাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।</code> | <code>ফিরোজ শাহ তুগলক<br>সুলতান ফিরোজ শাহ তুগলক (, ; জন্ম: ১৩০৯- মৃত্যু: ২০শে সেপ্টেম্বর ১৩৮৮) তুগলক রাজবংশের একজন শাসক যিনি মোহাম্মদ বিন তুগলক মৃত্যুর পর ১৩৫১ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন এবং ১৩৮৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকেন। তার মা ছিলেন দীপালপূরের একজন হিন্দু রাজকন্যা এবং পিতার নাম ছিলো রজব যিনি গিয়াসউদ্দিন তুগলকের ছোট ভাই এবং দীপালপুরের সিপাহসাহলার ছিলেন। সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুবরন করলে ১৩৫১ সালে তিনি ক্ষমতায় আসীন হন।ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর তার সাম্রাজ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পরে তাই মোহাম্মদ বিন তুগলকের চেয়ে তার সাম্রাজ্য অনেকটাই ছোট ছিল। তার রাজত্বকালে তিনি বাংলাকে আপাতঃ স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হন।</code> | <code>আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ<br>১৯২৭ সালে ইবনে সৌদ শুরা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এর সদস্য বৃদ্ধি করে ২০জন করা হয় এবং বাদশাহর ছেলে ফয়সাল বিন আবদুল আজিজকে এর সভাপতি করা হয়।</code> | <code>ফরিদা হোসেন<br>ফরিদা হোসেন চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার শাহেরখালী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ফয়েজ আহমেদ ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শ্রমিক নেতা ও আই. এল. ও এর গর্ভনিং বডির প্রাক্তন পরিচালক এবং মা বেগম ফয়েজুন্নেছা একজন গৃহিণী। ফরিদা তাদের প্রথম কন্যা।</code> | <code>ফরিদউদ্দিন গঞ্জেশকার<br>ফরিদের বংশ ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর ইবনে আল খাত্তাব এর বংশের সাথে সর্ম্পকযুক্ত।ফরিদ যদিও ইব্রাহিম ইবনে আদম এর পৌত্র ছিলেন তিনি মুলতানে,যা মুসলমানদের শিক্ষার জন্য একটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। ফরিদ মুলতানেই তার পীর (আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক), কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকী, ভারতীয় উপমহাদেশের সুপরিচিত সুফি সাধক, এর সাথে দেখা হয় যিনিমুলতান হযে বাগদাদ হতে দিল্লিতে যাচ্ছিলেন।</code> | <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ<br>১৯৭০ সালে নাসেরের মৃত্যুর পর ফয়সাল মিশরের নতুন রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাতকে কাছে আনেন। আনোয়ার সাদাত নিজেও সোভিয়েত প্রভাব থেকে বের হয়ে আমেরিকাপন্থি শিবিরে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। ১৯৭৩ আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের প্রতি পশ্চিমা সমর্থনের কারণে ফয়সাল আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহ প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে তেলের মূল্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনা তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে এবং বিশ্বব্যপী আরবদের মধ্যে তার জন্য মর্যাদা বয়ে আনে। ১৯৭৪ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে "ম্যান অব দ্য ইয়ার" ঘোষণা করে। সংকটের ফলে তেলের মূল্যবৃদ্ধি তার মৃত্যুর পর সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। তেল থেকে পাওয়া নতুন মুনাফা ফয়সালকে ছয় দিনের যুদ্ধের পর মিশর, সিরিয়া ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনকে সহায়তা বৃদ্ধিতে সক্ষম করে। সাধারণভাবে ধারণা করা হয় যে ফয়সালের তেল প্রত্যাহার করার কারণে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়। উল্লেখ্য তার হত্যাকারী অল্পকাল পূর্বেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে আসে।</code> | <code>আল সৌদ<br>বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের পুত্র ও নাতিদের ক্ষেত্রে রাজকীয় পদবি “হিজ রয়াল হাইনেস” ব্যবহৃত হয়। তবে অন্যান্য শাখা বংশের সদস্যদের ক্ষেত্রে “হিজ হাইনেস” ব্যবহৃত হয়।</code> | <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ<br>গায়ক রবার্ট হান্টার ১৯৭৫ সালে "ব্লুস ফর আল্লাহ" এলবামে বাদশাহ ফয়সালের প্রশংসা করেছেন। ২০১৩ সালে আলেক্সেই ভাসিলেভ "কিং ফয়সাল অব সৌদি আরাবিয়া: পারসোনালিটি, ফেইথ এন্ড টাইমস" নামক জীবনী প্রকাশ করেছেন।</code> | <code>সালাহউদ্দিন<br>ইমাদউদ্দিনের বর্ণনা অনুযায়ী ১১৭৪ সালে মিশর ত্যাগের পূর্বে সালাহউদ্দিনের পাঁচ জন পুত্র ছিল। সালাহউদ্দিনের জ্যেষ্ঠ সন্তান আল আফদাল ইবনে সালাহউদ্দিন ১১৭০ সালে এবং আল আজিজ উসমান ১১৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয়জন সিরিয়ায় সালাহউদ্দিনের সাথে ছিলেন। তার তৃতীয় পুত্র ছিলেন আজ জহির গাজি। ইনি পরে আলেপ্পোর শাসক হন। ১১৭৭ সালে আল আফদানের মায়ের গর্ভে সালাহউদ্দিনের আরেক সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কালকাশান্দি কর্তৃক রক্ষিত চিঠিতে ১১৭৮ সালের মে মাসে তার বারোতম পুত্রের জন্মের সংবাদ পাওয়া যায়। তবে ইমাদউদ্দিনের তালিকা অনুযায়ী তা সালাহউদ্দিনের সপ্তম সন্তান। পুত্র মাসুদ ১১৭৫ সালে ও ইয়াকুব ১১৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।</code> | <code>সুলতান বিন আবদুল আজিজ<br>২০০৫ সালের ১ আগস্ট সুলতান বিন আবদুল আজিজ যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ পান। বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর ফলে এসময় তিনি সুদাইরি ভ্রাতৃবৃন্দের প্রধান ছিলেন।</code> | <code>মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ<br>মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ (১৯১০ – ২৫ নভেম্বর ১৯৮৮) () ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ। ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত সংক্ষিপ্তকাল তিনি যুবরাজ ছিলেন। তিনি সৌদি রাজপরিবারের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। ১৯৮৮ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি তার ছোট ভাই বাদশাহ খালিদ ও বাদশাহ ফাহাদের ঘনিষ্ট ও বিশ্বস্ত উপদেষ্টা ছিলেন।</code> | <code>নায়েফ বিন আবদুল আজিজ<br>নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ () (১৯৩৪ – ১৬ জুন ২০১২) ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ এবং প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী। ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছেন।</code> | <code>ফয়সাল বিন তুর্কি বিন আবদুল্লাহ আল সৌদ<br>ইমাম ফয়সাল ১৮৩৪ থেকে ১৮৩৮ সাল পর্যন্ত শাসন করেছেন। এরপর উসমানীয়রা তাকে নির্বাসন দেয়। ১৮৪৩ সালে তিনি ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সক্ষম হন এবং ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত শাসন করেন।</code> | <code>সুলতান বিন আবদুল আজিজ<br>সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ (১৯২৫ - ২২ অক্টোবর ২০১১) () ("সুলতান আল-খাইর" (, "উত্তমের সুলতান" নামেও পরিচিত) ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত যুবরাজ পদে ছিলেন।</code> | <code>আবদুর রহমান বিন ফয়সাল<br>আবদুর রহমানের ভাই সৌদ ও আবদুল্লাহ ১৮৬৫ সালে ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছিলেন। ১৮৭১ সালে সৌদ রিয়াদ দখল করে নেয়ার পর আবদুর রহমান ও তার ভাই মুহাম্মদ তার সাথে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আবদুর রহমানকে উসমানীয়দের কাছ থেকে সাহায্য বিষয়ে আলোচনার জন্য বাগদাদে পাঠানো হয়েছিল তবে তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। দুই বছর পর তিনি পূর্ব দিকের আল হাসা মরূদ্যান জয় করার চেষ্টা চালান তবে অভিযানে সফলতা আসেনি। এখানে এসময় আবদুল্লাহ অবস্থান করছিলেন। আবদুর রহমান রিয়াদ ফিরে যান। ১৮৭৫ সালে সৌদের মৃত্যুর পর আবদুর রহমানকে তার উত্তরসুরি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এক বছরের মধ্যে আবদুল্লাহ রিয়াদ দখল করে নেন। আবদুর রহমানকে ক্ষমতা ত্যাগ করতে হয়।</code> | <code>আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখ<br>আবদুল আজিজ আল আশখ শেখ সৌদি আরবের পরিবারের সদস্য আল আশ-শেখ। তিনি ওয়াহাবীবাদ প্রতিষ্ঠার বংশধর, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব নাজদী।<br>১৯৯৯ সালের জুন মাসে তিনি আবদুল আজিজ ইবনে বাযের নেতৃত্বে রাজা ফাহদকে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি নিযুক্ত করেন। <br>গ্র্যান্ড মুফতি ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে একটি ফতোয়া জারি করেছেন যে আত্মঘাতী বোমা হামলা "বড় অপরাধ" এবং বোমা হামলাকারিরা "ফাঁসির অপরাধী যারা তাদের কর্মের দ্বারা জাহান্নামে নিজেদেরকে নিয়ে যায়" । শেখ আত্মঘাতী বোমাবাজদের উদ্দেশ্য করে বলেন"তারা মনের লুণ্ঠিত ... যারা নিজেদেরকে শুধুমাত্র নিজেদের এবং সমাজ ধ্বংস করার জন্য (সরঞ্জাম হিসাবে) ব্যবহার করে।" <br>আগস্ট ২০১৪ এর শেষের দিকে, তিনি ইসলামিক স্টেট অফ (আইএস) এবং লেভান্ট ও আল-কায়দার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "চরমপন্থী ও জঙ্গি চিন্তাধারা এবং সন্ত্রাসবাদ যা পৃথিবীতে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তার করে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করে, ইসলামের এরা কোনও অংশ নয়, বরং ইসলামের এক নম্বর শত্রু, এবং মুসলমানরাই তাদের প্রথম শিকার "।<br>২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, মিনা দুর্যোগ বিপর্যয়ের ১ দিন পর, যে ঘটনায় কমপক্ষে ১,৩৯৯ ...</code> | <code>প্রথম ফুয়াদ<br>সন্তান</code> | <code>সৌদি আরবের ইতিহাস<br>১৯০২ সালে আল সউদের নেতা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ নির্বাসন থেকে কুয়েতে ফিরে এসে আল রশিদের সাথে সংঘর্ষ শুরু করে এবং রিয়াদকে আটক করে। বিজয়ীদের জয়ের একটি সিরিজ ১৯৩০ সালে সৌদি আরবকে শেষ পর্যন্ত আধুনিক রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে পরিণতি ঘটায়। এই বিজয় অর্জনের প্রধান হাতিয়ার ছিল সুলতান বিন বাজাদ আল উতাইবি এবং ফয়সাল আল দাউয়িশ এর নেতৃত্বাধীন ওয়াহাবী-বেদুঈন উপজাতীয় বাহিনী ইখওয়ান।</code> | <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ<br>ফয়সালের একমাত্র বোন নুরাহর সাথে তার এক চাচাত ভাই খালিদ বিন মুহাম্মদের বিয়ে হয়।</code> | <code>ফয়সাল আল দাউয়িশ<br>১৯২৯ সালে সাবিলার যুদ্ধে ফয়সাল আহত হন। তিনি পালিয়ে যান এবং পরবর্তীতে কুয়েতে ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। রাজা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ তাকে ক্ষমা করেন তবে পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৯৩১ সালে তিনি কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।</code> | <code>মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ<br>মুহাম্মদ ১৯১০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের চতুর্থ পুত্র। তবে তার জন্মসাল হিসেবে ১৯০৯ সালও জানা যায়। উইলিয়াম এ এডির মতে তিনি আবদুল আজিজের তৃতীয় পুত্র।</code> | <code>সৌদ বিন আবদুল আজিজ<br>১৩ বছর বয়সে সৌদের প্রথম রাজনৈতিক মিশন শুরু হয়। তিনি কাতারে একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ১৯২১ সালে তিনি হাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ইয়েমেনে লড়াই করা সৌদি সেনাদের প্রধান হয়ে উঠেন। বাদশাহ হওয়ার আগে তিনি আটটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।</code> | <code>দ্বিতীয় ফয়সাল<br>তার বাল্যকালে ফয়সাল অন্যান্য বেশ কিছু ইরাকি বালকের সাথে রাজপ্রাসাদে শিক্ষালাভ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি স্বল্পকালের জন্য তার মায়ের সাথে যুক্তরাজ্যের বার্কশায়ারে অবস্থিত উইঙ্কফিল্ডের গ্রুভ লজে অবস্থান করেন। কিশোর অবস্থায় তিনি তার চাচাত ভাই হুসাইনের সাথে হেরো স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। নিজেদের রাজত্বকে একীভূত করার পরিকল্পনা তারা করেন বলে উল্লেখ করা হয়।</code> | <code>প্রথম ফয়সাল<br>ফয়সাল মক্কায়(বর্তমান সৌদি আরবে) ১৮৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মক্কার শরীফ হুসাইন বিন আলীর তৃতীয় পুত্র। তিনি ইস্তানবুলে বড় হন। নেতৃত্ব বিষয়ে তিনি তার পিতার কাছে শিক্ষালাভ করেন। ১৯১৩ সালে ফয়সাল অটোমান সংসদে জেদ্দার প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।</code> | <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ<br>বাদশাহ সৌদ ও যুবরাজ ফয়সালের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি পায়। ১৯৬০ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফয়সাল প্রতিবাদ হিসেবে পদত্যাগ করেন। বাদশাহ সৌদ ফয়সালের নির্বাহী ক্ষমতা ফিরিয়ে নেন এবং প্রিন্স তালালকে মিশর থেকে ফিরিয়ে এনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৬২ সালে ফয়সাল রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করেন এবং দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হন।</code> | <code>ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ<br>দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন আল মদিনা কলেজ অব থিওলজির রেক্টর আবদুল আজিজ ইবনে বাজ। ফয়সালের সমালোচনার কারণে তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। অনেকে চরমপন্থায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। এমন অন্যতম চরমপন্থি ছিলেন জুহাইমিন আল ওতাইবি।</code> | <code>মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ<br>তার আল জাওহারা বিনতে মুসাইদ আল জিলুওয়ি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ আল জিলুওয়ি গোত্রের সদস্য। আল সৌদ পরিবারের সাথে এই গোত্রের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল। বাদশাহ খালিদ বিন আবদুল আজিজ ছিলেন তার আপন ভাই। তার বোন আল আনুদের সাথে আবদুল আজিজের ভাই সাদ বিন আবদুর রহমানের ছেলেদের বিয়ে হয়। প্রথমে তার সাথে সৌদ বিন সাদের বিয়ে হয়েছিল। সৌদ মারা যাওয়ার পর সাদের আরেক ছেলে ফাহাদ বিন সাদের সাথে তার বিয়ে হয়।</code> | <code>ফজল গাজী<br>ফজল গাজী ভাওয়াল রাজ্যের প্রধান এবং গাজী বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। তিনি ঈসা খাঁর একজন অনুসারীর সন্তান ছিলেন। তিনি শেরশাহ এবং সম্রাট আকবরের সমসাময়িক। বীরত্বের জন্য খ্যাতি অর্জন করেন।</code> | <code>আবদুর রহমান বিন ফয়সাল<br>আবদুর রহমান বিন ফয়সাল আল সৌদ (১৮৫০–১৯২৮) ( / ALA-LC: "‘Abd ar Raḥman bin Fayṣal") ছিলেন দ্বিতীয় সৌদি রাষ্ট্রের শেষ শাসক। তিনি ফয়সাল বিন তুর্কির ছেলে এবং আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের বাবা।</code> |
The model card is truncated. Read the rest on Hugging Face.